logo
news image

লালপুরে পবিস বিল আদায় হার ৯৮.৮৬ ভাগ

ইমাম হাসান মুক্তি, প্রতিনিধি, নাটোর (লালপুর)
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস)-২ লালপুর জোনাল অফিসের বিল আদায়ের হার শতকরা ৯৮.৮৬ ভাগ। শতভাগ বিদ্যুতায়িত এলাকায় গোপালপুর পৌরসভা ছাড়া গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের হার প্রায় শতভাগ।
পবিস লালপুর জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, লালপুরে পবিসের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে। নিজস্ব ৫২ শতাংশ জমিতে যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হয়। আর ভাড়া বাসায় জোনাল অফিসের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর। লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলার বিদ্যুতায়ন আয়তন ৩০০.৩১ কিলোমিটার। অন্তর্ভূক্ত ইউনিয়ন ঈশ্বরদী, লালপুর, বিলমাড়িয়া, দুড়দুড়িয়া, আড়বাব, চংধুপইল, ওয়ালিয়া, কদিমচিলান, অর্জুনপুর-বরমহাটি (এবি), দুয়ারিয়া, দয়ারামপুর ও ফাগুয়ার দিয়াড় এবং গোপালপুর পৌরসভা।
অন্তর্ভূক্ত বিদ্যুতায়িত গ্রাম ২০১৭ টি। কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা-৮৩ জন। লাইনের পরিমাণ-৯৬৫ কিলোমিটার। বিদ্যুতায়িত ট্রান্সফরমার-২,১৩০ টি। অভিযোগ কেন্দ্র-আব্দুলপুর ও দয়ারামপুর। উপকেন্দ্র ও ক্ষমতা-লালপুর-২৫ এমভিএ এবং দায়ারামপুর-১০ এমভিএ। গ্রীড উপকেন্দ্র-ঈশ্বরদী-২*৫০/৭৫ এমভিএ। সর্বোচ্চ চাহিদা-১৬ মেগাওয়াট। সিস্টেম লস-৮.৩১%।
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো হলো, কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড, গ্রীনভ্যালী পার্ক লিমিটেড।
সংযোগপ্রাপ্ত গ্রাহক সংখ্যা-৭০,৬০৯ জন। আবাসিক-৬৪,৩৮৪ জন, বাণিজ্যিক-৪,৫৬৫ জন, সেচ-২৭৯ জন, ক্ষুদ্র শিল্প-৪২১ জন, দাতব্য প্রতিষ্ঠান-৮০৮ জন, রাস্তা-৫৪ জন, বাণিজ্যিক-০১ জন, বৃহৎ শিল্প-০২ জন, সাধারণ-০৩ জন, অফিস ব্যবহার-০৮ জন এবং সোলার হোম সিস্টেম-৮৪ জন। বিল আদায়ের হার-৯৭.৯৭%।
লালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রেজাউল করিম খান সোমবার (২৮ জুন ২০২১) আজকের পত্রিকাকে জানান, এই অফিসের অধীন সাধারণ গ্রাহকদের বিল পরিশোধের হার প্রায় শতভাগ। গত ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বিল আদায় হয়েছে, ৩৬ কোটি ৫৪ লাখ ২৫ হাজার ১২৩ টাকা। বিলের পরিমাণ ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ ৩৮ হাজার ২৫৭ টাকা। বিল আদায়ের হার ৯৮.৮৬%।
মে ২০২১ মাসের বিল ছিল ৩ কোটি ৬৫ লাখ ৬১ হাজার ৭৩৭ টাকা। আদায়ের পরিমাণ ৩ কোটি ৭৮ লাখ ২১ হাজার ১৭৩ টাকা। আদায়ের হার ১০৪.৩৭%।
তিনি আরো জানান, গোপালপুর পৌরসভার ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত সম্প্রতি ২ লাখ টাকা পরিশোধ করার পর সর্বোচ্চ বকেয়া বিল রয়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৫১ টাকা। এই প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিল পরিশোধ হলে শতভাগ বিল আদায় নিশ্চিত হবে।
তিনি আরো জানান, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে নতুন ফিডার করা হয়েছে। গ্রাহকদের উদ্বুদ্ধকরণ, কর্মীদের হেলমেট বিতরণসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত খেলাধূলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গোপালপুর পৌরসভার মেয়র রোকসানা মোর্ত্তুজা লিলি বলেন, ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে পৌরসভার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল বাবদ ২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন। বরাদ্দ পেলে বাকিটা পরিশোধ করা হবে।

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top