logo
news image

লিডসে শেষ হলো ভার্চুয়াল রাধারমণ লোক উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ইংল্যান্ডের লিডসভিত্তিক রাধারমণ লোক উৎসব। ১০ বছরপূর্তিতে ২৭, ২৮ ও ২৯ নভেম্বর ২০২০ এই তিন দিনব্যাপী চলে উৎসব। করোনা মহামারির কারণে এবছর ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে উৎসবের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (২৭ নভেম্বর ২০২০) উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। এদিন প্যানেল আলোচনায় লিডসের স্থানীয় তিনজন পার্লামেন্ট সদস্য ফ্যাবিয়ান হ্যামিলটন, রিচার্ড বারগন ও অ্যালেক্স শোবেল উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ক্যায়ম্যান আইল্যান্ডের সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশে সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত আনোয়ার চৌধুরী। এতে আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সাংসদ মুহিবুর রহমান, নেহরু সেন্টারের পরিচালক অমিশ ত্রিপাঠি, কাউন্সিলর আসগার খান, সাউথ এশিয়ান আর্টসের নির্বাহী প্রধান কিরঞ্জিত কর
দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রখ্যাত লেখক পবিত্র সরকার, আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য সাহিত্যতাত্ত্বিক তপোধীর ভট্রাচার্য, গৌড়বনঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য গোপা দত্ত ভৌমিক, কালাসঙ্গমের প্রতিষ্ঠাতা গীতা উপাধ্যায় প্রমুখ ছিলেন।
উৎসবের সমাপনী দিনের প্যানেল আলোচনায় ছিলেন- বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যন মোহাম্মদ সাদিক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. সাদেকুল আরেফিন এবং বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ও প্রখ্যাত লোকগবেষক শামসুজ্জামান খান ও পূরবী কালচারাল অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কুদ্দুস।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সাদেকুল আরেফিন বলেন, লোক উৎসব সবকিছু ছাপিয়ে মানুষকে সংযুক্ত করে। এই উৎসবগুলো আমাদের চেতনায়, আমাদের সংস্কৃতিতে, আমাদের মননে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সামাজিক দর্শন হিসেবে বাউল দর্শনকে যদি চর্চা করতে পারি তাহলে এটি সত্যিকার অর্থে বাঙালি সংস্কৃতির জাগরণে ভূমিকা রাখবে।
উৎসবের পরিচালক টি এম আহমেদ কায়সার বলেন, ১০ বছরেই রাধারমণ উৎসব ইংল্যান্ডের অন্যতম প্রধান একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছরই বিভিন্ন ভাষা–সংস্কৃতির শিল্পী এবং দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এই উৎসব। আমরা করোনার কারণে এ বছর একটু অন্যভাবে উদযাপন করছি। কিন্তু সৌভাগক্রমে এ বছর আমরা যুক্ত করেছি সত্যিকার কিছু মহান শিল্পীদের।
উৎসবের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ব্রিটিশ শীর্ষ মার্গসংগীতের সংস্থা সৌধ, লিডস সিটি কাউন্সিল, সাউথ এশিয়ান আর্টস ইউকে, গ্রন্থী ও সংগীত ফাউন্ডেশন।

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top