logo
news image

ঈশ্বরদীতে ইপিজেডের জাপানি কোম্পানীর এডমিন অফিসারকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতাঃ
ঈশ্বরদী ইপিজেডে জাপানের 'নাকানো ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের" ম্যানেজার (এইচ আর এ্যান্ড এডমিন) অফিসার মমিনুল ইসলামকে মারপিট ও তাঁর নিকট ৫০ হাজার চাঁদা দাবির অভিযোগে ঈশ্বরদী থানায়  তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন বলে থানার ওসি সেখ নাসীর উদ্দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন।  অভিযোগকারী মমিনুলের বাড়ি ঈশ্বরদীর স্কুলপাড়ায়। তিনি ওই এলাকার মৃত: সাখাওয়াত মল্লিকের ছেলে।
মামলায় শহরের শেরশাহ রোড কাঠালতলা এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে সজিব হোসেন (২২), আলোবাগ মোড়ের মো: মিন্টুর ছেলে নাঈম হোসেন (২০) ও চরমিরকামারী  এলাকার শহিদুল ইসলাম সরদারের ছেলে সাব্বির হাসান (২৫)। সাব্বির ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।
এজাহারে বলা হয়, গত ৯ অক্টোবর রাত ৮টায় সজিব মুঠোফোনে নাকানো ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের এডমিন অফিসার মমিনুল ইসলামকে এস এম স্কুল এ্যান্ড কলেজের গেটের সামনে আসতে আসতে বলে। মমিনুল ইসলাম সেখানে এলে নাকানো কোম্পানিতে 'কারা ব্যবসা করেন' তাদের নাম, ঠিকানা ও তালিকা দেখতে চান সজিব,নাঈম ও সাব্বির ।  এসব দিতে অস্বীকৃতি জানালে কথাকাটির এক পর্যায়ে মমিমুলকে মারধর ও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।
ঘটনার প্রায় এক মাস পর মামলা দায়ের প্রসঙ্গে মমিনুল ইসলাম এজাহারে উল্লেখ করেছেন, মারধরের জন্য সে অসুস্থ ছিল এবং নাকানো কোম্পানীর উদ্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে।
এব্যাপারে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হাসানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এক মাস আগে কথা কাটাকাটি ছাড়া মারধরের কোন ঘটনাই ঘটেনি। ঘটনার পরদিনই বসে ভুল বোঝাবোঝির মিমাংসা হয়। স্থানীয়ভাবে দলীয় ও সাংগাঠনিক অর্ন্তদ্বন্দ্বের কারণে একটি মহল ইন্ধন যুগিয়ে ঘটনার এক মাস পর এই মামলা দায়ের করিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের প্রচেষ্টা করছে।

সাম্প্রতিক মন্তব্য