logo
news image

বড়াইগ্রামে ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন


বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের বড়াইগ্রামে বড়াল নদীর গভীর থেকে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী দুটি গ্রামের ঘরবাড়ি, সেতু ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা । স্থানীয়রা বালু উত্তোলন বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। উত্তোলন কারী প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসন নিরব। তবে উত্তোলন কারীর দাবী, পাশের রাস্তা পাকাকরণের জন্যই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলন কারী ব্যাক্তি গুরুদাসপুর উপজেলার বৃ-চাপিলা গ্রামের ভুট্টু মিয়া।
এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়, বড়াল নদীর কুমারখালী গ্রামের অংশে গত ১৫ দিন যাবৎ দুটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে ফসলি জমি, সেতু ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে আশংক্ষা করছেন কুমারখালী ও আদগ্রামের গ্রামের মানুষ।  স্থানীরা উপজেলা প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ করলেও বন্ধ হচ্ছে এই বালু উত্তোলস কার্যক্রম। প্রতিদিন উত্তোলন করা হচ্ছে বালু বিপুল পরিমাণ বালু।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় সাংসদের পালিত পুত্র ও গ্ররুদাসপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারমান আনোয়ার হোসেন এর ছত্রছায়ায় এই ডেজার মেশিন বসানো হয়েছে। যার কারনে প্রশাসন কোন কিছুই করছে না। তারপরও আমরা বালু তুলতে নিষেধ করেছিলাম। লিখিত অভিযোগ করেছি। কিন্তু কোন কিছুতেই থামছেনা বালু উত্তোলন। এতে গভীর গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় নদীর তীরবর্তী কুমারখালী ও আদগ্রামের শত শত বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়েছে। বর্ষায় মৌসুমে বসত ভিটা, পান বরজ, ফসলি জমি ও পাশের সেতু নদীগর্ভে বিলীনের আশঙ্কায় আছেন তারা।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ২০১০ সালে বালু উত্তোলন নীতিমালায় যন্ত্রচালিত মেশিন দ্বারা ড্রেজিং পদ্ধতিতে নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও সেতু, কালভার্ট, রেললাইনসহ মূল্যবান স্থাপনার এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন করা বেআইনি। অথচ এক্ষেত্রে বালু দস্যুরা সরকারী ওই আইন অমান্য করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।
এ বিষয়ে বালু উত্তোলনকারী ভুট্টু মিয়া বলেন, প্রশাসনকে জানিয়েই বালু তোলা হচ্ছে। এ বালু দিয়ে নদীর পাশের রাস্তা পাকা করা হবে। তবে সরকারীভাবে বরাদ্দ থাকা স্বত্তে¡ও নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে কেন রাস্তা করতে হবে জানতে চাইলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ বলেন, গ্রামবাসীর অভিযোগ পেয়ে আমি বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়েছিলাম। রাস্তা করার জন্য বালু না পাওয়ায় জেলা প্রশাসক অনুমতি দিয়েছেন।

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top