logo
news image

কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বেহাল দশা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়াইগ্রাম নাটোর
নাটোরের বড়াইগ্রামে এবার কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বেহাল দশা দেখা দিয়েছে। স্বল্প দামে কেনার ক্রেতাও পাওয়া যায়নি। অনেকেই বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুতে ফেলেছেন।
সরেজমি ঘুরে দেখা যায়, গরুর চামড়া আকার ভেদে ৫০ থেকে ২০০ টাকা, ছাগলের চামড়া ১০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতিবছর এমিত খানার শিক্ষক-শিক্ষাথর্ীকে দেখা গেছে চামড়া সংগ্রহ করতে এবার তাদের তৎপরতা দেখা যায়নি।
মালিপাড়া এতিম খানার মাওলানা আব্দুর রহমান জানান, প্রতি বছর নাটোর থেকে চামড়া ব্যবসায়ীরা আগাম বায়না করে যেতেন চামড়ার জন্য এবার উল্টো তারা বলে গেছেন চামড়া কিনবেন না। বিক্রি করতে না পারলে চামড়া নিয়ে কি করবো। তাই আর কষ্ট করে চামড়া নিতে যাইনি। যদি চামড়া বিক্রির আয় দিয়ে এতিম খানা চালানোর বার্ষিক বড় একটা অংশের অর্থের যোগান হতো।
কালিকাপুর নতুন বাজার এলাকার কোরবানির চামরা নিয়ে বিপাকে পড়েন হাকিমুর রহমান, আতিকুর মৃধা, উমিরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলামরা, তারা বলেন দিন শেষেও কোন ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধায় এক কসাই এসে জানান, দুই গরু, তিন ছাগলের চামড়া ৩০০ টাকা। অবশেষে তাই দিয়ে দিতে হলো।
কথা বলতে গিয়ে চামড়া কেনার ফরিয়া বনপাড়ার মোবারক মৃধা, কয়েন এলাকার মানিক কসাই জানান, এবার আমরা অনেকটা ঝঁুকি নিয়ে চামড়া কিনছি। বিক্রি করতে পারবো কিনা এটা অজানা। আবার লবন কিনতে হচ্ছে চড়া দামে ফলে সংরক্ষণ ব্যয় বেড়ে গেছে।

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top