logo
news image

জিপিএ-৫ পেয়েও উচ্চ শিক্ষায় নুপুরের বড় বাধা অর্থ সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ভ্যান চালকের কন্যা অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী নুপুর খাতুন। সে এ বছর এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় নাটোরের লালপুর উপজেলার মাজার শরীফ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট উইমেন্স কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। উচ্চ শিক্ষা অর্জনে এখন নুপুর খাতুনের জন্য অর্থ সংকটই বড় বাধা। তাহলে কি অর্থ সংকটের কারনে এখানেই থেমে যাবে নুপুরের পড়ালেখার বাজনা।
নুপুরের বাবা মোঃ আতাউর হোসেন একজন ভ্যান চালক বাড়ী লালপুরের দক্ষিন লালপুর গ্রামে। ভ্যান চালানো উপার্জনে অতিকষ্টে তার সংসার চলে। জমিজমা বলতে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া আড়াই কাঠা জমির উপর শুধুমাত্র বসত ভিটা। আর কোন জমি নেই। মা মোছাঃ নিরালা অসুস্থ স্ট্রোকের রোগী। ১৫ বছর বয়সী ছোট ভাই মতিউর রহমান বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। আর ৫ বছর বয়সী ছোট বোন ফাতেমা খাতুন এখনো স্কুলেই যায় না। অদম্য মেধাবী সম্পূর্ণ নুপুর নিজের আগ্রহে বাবার ভ্যান চালানো উপার্জনে পড়াশুনা চালিয়ে আসেছে।
অসুস্থ মা আর প্রতিবন্ধী ভাইয়ের  চিকিৎসা এবং আরো এক বোনসহ সংসারে পাঁচ সদস্যের ব্যয়ভার বহন করছেন অতিকষ্টে ভ্যান চালক বাবা আতাউর হোসেন। তার পক্ষে এক দিকে সংসারের খরচ পাশপপাশি মেয়ের উচ্চ শিক্ষায় খরচ যোগান দেয়া প্রায় অসম্ভব। এর মধ্যেই অর্থের অভাব আর সংসারে শত কষ্টের মাঝেও পায়ে হেটেই কলেজে নিয়মিত ক্লাস করে সে এই ফলাফল লাভ করেছে। শুধু তাই নয় একই ভাবে নুপুর ২০১৭ সালে লালপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছে। অর্থ সংকটের কারনে উচ্চ শিক্ষা অর্জনে নুপুর ও তার পরিবার দুশ্চিন্তায় ভুগছেন । তার ইচ্ছা উচ্চ শিক্ষা নিয়ে দেশ ও সমাজের জন্য ভাল কিছু করা। সেই সাথে দরিদ্র ও মেধাবীদের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে চায়।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top